খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এআই খাতের চাহিদায় ভাটা, কমছে এশিয়ায় চিপ উৎপাদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এআই খাতের চাহিদায় ভাটা, কমছে এশিয়ায় চিপ উৎপাদন

এআই খাতের চাহিদায় ভাটা, কমছে এশিয়ায় চিপ উৎপাদন

অর্থনীতি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির চাহিদায় বিশ্বজুড়ে একধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এশিয়ার প্রধান চিপ উৎপাদনকারী দেশগুলোতে। চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের মতো রপ্তানিমুখী দেশগুলোতে সম্প্রতি উৎপাদন খাত সম্প্রসারিত হলেও আগের মাসের তুলনায় প্রবৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে মন্থর হয়ে পড়েছে। মূলত এআই খাতে করা বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা অর্জিত হবে কি না, তা নিয়ে এখন গভীর সংশয় প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা। দীর্ঘমেয়াদি মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগব্যয় কমে যাওয়ায় সামগ্রিক ব্যবসায়িক আস্থাও দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর ফলে এশিয়ার রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতিগুলো নতুন করে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে, যা দীর্ঘকাল ধরে চিপ ও প্রযুক্তি পণ্যের জোরালো চাহিদার ওপর ভর করে এগিয়ে চলছিল।

টোকিওভিত্তিক দাই-ইচি লাইফ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অর্থনীতিবিদ তোরু নিশিহামা জানিয়েছেন যে, এতদিন চিপ ও এআই খাতের শক্তিশালী চাহিদা বিশ্ব অর্থনীতির নানা দুর্বল দিককে আড়াল করে রেখেছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়া এবং জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে সেই ইতিবাচক পরিস্থিতি আর ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি এশিয়ার দেশগুলোর সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে এবং একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে তীব্র মূল্য প্রতিযোগিতার কারণে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো ঐতিহ্যবাহী রপ্তানিকারক দেশগুলো কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, চীনের পাশাপাশি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানেও কারখানার উৎপাদন কার্যক্রমের গতি স্পষ্টতই ধীর হয়ে এসেছে। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ কোরিয়ায় গত আট মাসের মধ্যে সবচেয়ে মন্থর গতিতে কারখানার কার্যক্রম বেড়েছে এবং তাইওয়ানেও উৎপাদন খাতের পিএমআই সূচক আগের তুলনায় নিচে নেমে গেছে।

তবে এশিয়ার সব দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি একই ধারায় চলছে না, বরং কিছু দেশে এর ব্যতিক্রম চিত্রও দেখা গেছে। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো কয়েকটি রাষ্ট্রে সম্প্রতি কারখানার কার্যক্রম আগের তুলনায় দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা ধীর হলেও রপ্তানি আদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং এআই খাতের উত্থানে সম্ভাব্য বড় ধরনের সংশোধন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সংস্থাটির মতে, আগামী বছরগুলোতে এশিয়ার সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে যেতে পারে, যা এই অঞ্চলের উদীয়মান অর্থনীতির জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।

জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এআই খাতের অতি-প্রত্যাশা নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে এবং জানিয়েছে যে দীর্ঘ মেয়াদে এই প্রযুক্তির অতিউত্থান অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিও বয়ে আনতে পারে। যদি এআই খাতের প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা হঠাৎ বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়ে, তবে তার নেতিবাচক প্রভাব কেবল প্রযুক্তি খাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা দ্রুত বৈশ্বিক আর্থিক বাজার এবং সামগ্রিক উৎপাদন খাতে ছড়িয়ে পড়বে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে আর্থিক পরিস্থিতি আরও কঠোর হতে পারে এবং শেয়ারবাজারে বড় ধরনের মূল্যপতনের ঘটনা ঘটতে পারে। শেষ পর্যন্ত রপ্তানি ও উৎপাদন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হলে তা জাপানের পাশাপাশি সমগ্র এশিয়ার অর্থনীতিকেই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

advertisement
advertisement

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।