খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মা-বাবাকে সালাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করার মার্জিত ও কার্যকর কৌশল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মা-বাবাকে সালাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করার মার্জিত ও কার্যকর কৌশল

ব্যক্তিগতভাবে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি নিজ পরিবারের সদস্যদেরও ইবাদতের পথে ডাকার বিষয়ে পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা সুরা ত্বহার ১৩২ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেন, ‘আর তুমি তোমার পরিবারকে নামাজের নির্দেশ দাও এবং তার ওপর অবিচল থাকো।’ তবে ছোট ভাইবোন কিংবা সন্তানদের খুব সহজে নামাজের তাগিদ দেওয়া গেলেও জন্মদাতা পিতা-মাতাকে এই বিষয়ে বলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়। ইসলামে পিতামাতার মর্যাদা সবার ওপরে রাখা হয়েছে। এ কারণে তাঁদের কোনো ভুল শুধরে দেওয়া কিংবা ভালো কাজের পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেওয়া প্রতিটি সন্তানের দায়িত্ব। মা-বাবাকে নামাজের প্রতি আহ্বান করার কিছু সুন্দর ও ফলপ্রসূ পদ্ধতি রয়েছে।

পিতা-মাতাকে নামাজের কথা বলার ক্ষেত্রে সন্তানের বাচনভঙ্গি ও আচরণ হতে হবে অত্যন্ত বিনম্র। তাঁদের ওপর কোনো অবস্থাতেই অভিভাবকত্ব বা শিক্ষকের ভাব প্রদর্শন করা যাবে না। সুরা বনি ইসরাইলের ২৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, ‘আর তাদের সঙ্গে সম্মানসূচক কথা বলো।’ নবী ইব্রাহিম (আ.) যখন তাঁর পিতা আজরকে ইমান ও সালাতের দাওয়াত দিয়েছিলেন, তখন তিনি অত্যন্ত মিষ্টভাষায় বারবার ‘হে আমার প্রিয় পিতা’ বলে সম্বোধন করতেন, যা সুরা মারইয়ামের ৪২ থেকে ৪৫ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম কুরতুবি তাঁর ‘আল-জামি লি–আহকামিল কুরআন’ (১১ত/৯৫, দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ, কায়রো, ১৯৬৪) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, মা-বাবাকে কোনো সৎকাজের নির্দেশ কিংবা অসৎকাজ থেকে বারণের ক্ষেত্রে সন্তানের ভাষা হতে হবে অত্যন্ত বিনম্র; তাঁদের প্রতি কোনো রূঢ় আচরণ বা তিরস্কার করা চলবে না। তাঁরা যদি আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন বা ক্ষোভ প্রকাশ করেন, তবুও সন্তানকে চুপ থেকে পূর্ণ সম্মান বজায় রাখতে হবে।

মানুষ মুখের উপদেশের চেয়ে বাস্তব কাজের মাধ্যমেই বেশি উদ্বুদ্ধ হয়। সন্তান নিয়মিত সালাত আদায়ের ফলে যদি নিজের মধ্যে ইতিবাচক রূপান্তর আনে এবং বাবা-মায়ের খেদমতে আরও আন্তরিক হয়, তবে তাঁরা উপলব্ধি করবেন যে নামাজই তাঁদের সন্তানকে এমন মানবিক করে তুলেছে। মুসনাদে আহমদের ৮৯৫২ নম্বর হাদিসে মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই উত্তম চরিত্রই হলো শ্রেষ্ঠ নেক আমল।’ সদাচরণ হলো সবচেয়ে বড় নীরব আহ্বান। পাশাপাশি ঘরে একটি চমৎকার দ্বীনি পরিবেশ গড়ে তোলা যায়। সরাসরি বললে কখনো কখনো তাঁদের আত্মমর্যাদায় লাগতে পারে, তাই আজান শুনে উচ্চকণ্ঠে আজানের উত্তর দেওয়া কিংবা কোরআন তিলাওয়াত করার মতো কৌশল বেছে নেওয়া যেতে পারে। জায়নামাজে বসে সন্তানের অশ্রুসিক্ত মোনাজাত প্রত্যক্ষ করলেও বাবা-মায়ের হৃদয় নরম হতে পারে। এছাড়া কৌশল হিসেবে বলা যায়, ‘মা, ফজরের সময় আমাকে একটু ডেকে দিয়ো।’ এতে তাঁদের নিজেদের মাঝেও ওয়াক্তের ব্যাপারে একধরনের তাগিদ তৈরি হয়।

কারও হৃদয়ে হেদায়েত দান করা কেবলই আল্লাহর এখতিয়ার। প্রিয় চাচা আবু তালিবের ক্ষেত্রেও স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা.) হেদায়েত দেওয়ার সুযোগ পাননি। তাই মা-বাবার জন্য শেষরাতে রবের দরবারে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করা জরুরি। সুরা ইব্রাহিমের ৪০ নম্বর আয়াতে একটি অনন্য দোয়া শেখানো হয়েছে, ‘হে আমার প্রতিপালক, আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও।’ এ প্রসঙ্গে ইবনুল কাইয়িম আল-জাওজিয়া তাঁর ‘মাদারিজুস সালিকিন’ (১/২৩৫, দারুল কিতাব আল-আরাবি, বৈরুত, ১৯৯৬) গ্রন্থে লিখেছেন, মানুষের হৃদয়সমূহ আল্লাহর আঙুলগুলোর মাঝে অবস্থান করে; ফলে প্রকাশ্য প্রচেষ্টার চেয়ে রজনীর শেষভাগে আল্লাহর কাছে করা প্রার্থনা অন্তরে সবচেয়ে দ্রুত এবং অলৌকিক পরিবর্তন এনে দেয়।

মা-বাবাকে একবার কিংবা দুবার বলেই আশা ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। কোনো কারণে তাঁরা বিরক্তি প্রকাশ করলে বা বকা দিলে কোনো অবস্থাতেই বিতর্কে জড়ানো যাবে না। কুফর বা শিরকের আদেশ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে তাঁদের অনুগত থাকার তাগিদ রয়েছে এবং কোনো অবস্থাতেই দুর্ব্যবহারের সুযোগ নেই। সুরা লুকমানের ১৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর যদি তারা তোমাকে আমার সঙ্গে এমন কিছু শরিক করতে পীড়াপীড়ি করে, যার কোনো জ্ঞান তোমার নেই, তবে তুমি তাদের কথা মেনো না; কিন্তু দুনিয়াতে তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে বসবাস করো।’ মূলত মা-বাবাকে নামাজের পথে আনার চেষ্টা একটি ধৈর্যশীল ও ভালোবাসাপূর্ণ অভিযাত্রা। কোনো ধরনের জোরজবরদস্তি না করে অকৃত্রিম মমতা, একনিষ্ঠ সেবা এবং অবিরাম দোয়ার মাধ্যমেই তাঁদের মনকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করা সম্ভব।

advertisement
advertisement

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।