খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সরকারই পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারই পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে

সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দ বণ্টনে চরম বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বিএনপির সংসদ সদস্যদের কোটি কোটি টাকার তহবিল দেওয়া হচ্ছে। অথচ এ বিষয়ে বিরোধী দল দাবি জানালে অন্য খাত থেকে নামমাত্র বরাদ্দ দিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করা হয়। শিশুদের কান্না থামাতে চকলেট দেওয়ার মতো বিরোধী দলকে চকলেট দিয়ে ভুলিয়ে রেখে সরকারি দল নিজেরা বিরিয়ানি খাচ্ছে।

বর্তমান প্রশাসন রাষ্ট্র, সরকার ও ক্ষমতাসীন দলকে একাকার করে ফেলছে উল্লেখ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারের বিভিন্ন অন্যায় ও অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বললেই সেটিকে রাষ্ট্রদ্রোহ বা রাষ্ট্রের বিরোধিতা হিসেবে চিত্রিত করা হচ্ছে। নিজেদের একদলীয় আধিপত্য বজায় রেখে সরকার কার্যত ফ্যাসিবাদের পুনরাগমনের ক্ষেত্র তৈরি করে দিচ্ছে। নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা, অনিয়ম ও চরম দুর্নীতি আড়াল করতে সরকার জুজুর ভয় দেখিয়ে সব দোষ বিরোধী শিবিরের ওপর চাপানোর চক্রান্ত করছে। বিরোধীদের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনকে অবহেলা করে যে অস্থিরতার সৃষ্টি করা হচ্ছে, মূলত সেই পথ ধরেই সরকার সচেতনভাবে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ঢোকার সুযোগ করে দিচ্ছে। এছাড়া গত কয়েক মাসে সরকারের তিনজন মন্ত্রী ও একজন সংসদ সদস্য বিদায় নেওয়ায় প্রশাসনের ভেতরে এক ধরনের দোলাচল ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বিরোধী দল জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে না—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এমন বক্তব্যকে সম্পূর্ণ হাস্যকর আখ্যা দিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, নিজের দুর্বলতা ঢাকতে মানুষ এমন অবান্তর কথা বলে। জামায়াতসহ ১১টি দল জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে বলেই জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। বরং বিএনপি গণভোট অস্বীকার করায় তারাই জুলাইয়ের চেতনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে বিরোধীদলীয় নেতার না যাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ খণ্ডন করে তিনি জানান, বিরোধীদলীয় নেতাকে কার্ড পাঠিয়ে নিমন্ত্রণ জানানো হলেও সেই কার্ড কিংবা অতিথি তালিকার কোথাও তাঁর নাম ছিল না। তিনি কি সেখানে সাধারণ দর্শকের সারিতে গিয়ে বসবেন—এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।

সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দল সহায়তা করছে না—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের এমন মন্তব্যের জবাবে জামায়াত নেতা বলেন, সংবিধান সংস্কারে বিরোধী দলের আলাদা সহায়তার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের জনগণ ইতিমধ্যে গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানে জুলাই সনদ অনুমোদন করে দিয়েছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে গণভোটের রায় কার্যকর করতে বিরোধী দল পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে জনগণের মতামত উপেক্ষা করে একদলীয় কোনো কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করার অপচেষ্টায় বিরোধী দল কখনো অংশ নেবে না।

গত রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দেওয়া এক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে দেখেই ফ্যাসিবাদের স্বরূপ চিনেছে। মাত্র সাত মাসের ব্যবধানে রিজভী সাহেব ফ্যাসিবাদের চরিত্র ভুলে গেছেন। ফ্যাসিবাদের প্রকৃত রূপ জানতে হলে তাঁকে নিজের দলের কর্মীদের কাছে যেতে হবে, কর্মীরাই ফ্যাসিবাদের কাজ সম্পর্কে বলতে পারবে। চাঁদাবাজি, লুণ্ঠন, ধ্বংসযজ্ঞ, হত্যা এবং ক্ষমতার জোরে গণরায় উপেক্ষা করাই ফ্যাসিবাদের লক্ষণ, আর বিএনপি বর্তমানে সেই পথেই হাঁটছে। এছাড়া ১৯৯৪-৯৫ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, জামায়াত কখনো আওয়ামী লীগের সাথে জোট গঠন করেনি। তৎকালীন সময়ে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা অস্বীকার করায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও বাম দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত বিরোধী লিয়াজোঁ কমিটির যুগপৎ কর্মসূচিতে জামায়াত শরিক ছিল। তখনকার বিএনপির গণবিরোধী ভূমিকার কারণেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পেরেছিল, জামায়াত তাদের ক্ষমতায় আনেনি।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, কুষ্টিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আমির হামজার মাহফিলে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ঠেকাতে না পেরে প্রশাসন তা বন্ধ করে দিচ্ছে। সরকারকে এ পথ পরিহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপিও চাইলে ওয়াজ ও কোরআনের তাফসির মাহফিলের আয়োজন করে দেখতে পারে কার মাহফিলে কত মানুষের সমাগম ঘটে। পাশাপাশি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার সব গভর্নিং বডি ও পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়ার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা বাদ দিয়ে দলীয় মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে সরকার হাজার হাজার মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণের পাঁয়তারা করছে।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে গোলাম পরওয়ার এটিকে চরম কূটনৈতিক ব্যর্থতা বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, সেখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনার থাকা সত্ত্বেও আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে তা সরকারের নজরে আসেনি এবং দূতাবাসও কোনো আইনি পদক্ষেপ নেয়নি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর সরকারের টনক নড়েছে। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, আবদুল হালিম ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমানসহ অন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
advertisement

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।