খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দোলনায় কথা বলে সত্য উন্মোচনকারী চার অলৌকিক শিশু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দোলনায় কথা বলে সত্য উন্মোচনকারী চার অলৌকিক শিশু

স্বাভাবিক নিয়মে একটি শিশুর বাকস্ফুট হতে বাবা-মাকে বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়। তবে মহান আল্লাহ তাঁর অপার কুদরতে এমন কিছু শিশুকে শৈশবেই কথা বলার ক্ষমতা দান করেছিলেন, যাদের বয়স তখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলার মতো ছিল না। ইতিহাসের পাতায় এমন চারজন অলৌকিক শিশুর বিবরণ বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমজন হলেন মরিয়ম-তনয় হজরত ইসা (আ.)। পিতার মাধ্যম ছাড়াই আল্লাহর অসীম ক্ষমতায় তাঁর জন্ম হয়। নবজাতক ইসাকে নিয়ে যখন মা মরিয়ম লোকালয়ে ফেরেন, তখন তাঁকে কঠোর অপবাদ ও তিরস্কারের মুখোমুখি হতে হয়। পিতা ছাড়া সন্তানের জন্মের বিষয়ে লোকজন কৈফিয়ত চাইলে মরিয়ম (আ.) কোনো কথা না বলে শিশুটির দিকে ইঙ্গিত করেন। তখন বিস্মিত জনতা প্রশ্ন তোলে, ‘দোলনার শিশুর সঙ্গে আমরা কীভাবে কথা বলব?’ ঠিক সেই মুহূর্তেই আল্লাহর হুকুমে নবজাতক ইসা কথা বলে ওঠেন। তিনি ঘোষণা করেন, ‘নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর বান্দা। তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন এবং নবী বানিয়েছেন।’ একই সঙ্গে তিনি জানান, আল্লাহ তাঁকে বরকতময় করেছেন এবং আজীবন নামাজ ও জাকাত আদায়ের আদেশ দিয়েছেন। সদ্যোজাত এক শিশুর এই সুস্পষ্ট বক্তব্য উপস্থিত সবাইকে হতবাক করে দেয় এবং মা মরিয়মের পবিত্রতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে। (সুরা মরিয়ম, আয়াত: ২৯–৩৩)

দ্বিতীয় ঘটনাটি হজরত ইউসুফ (আ.)-এর জীবনের এক কঠিন পরীক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। আজিজের স্ত্রী জুলাইখা তাঁকে অসৎ কাজে লিপ্ত করতে ব্যর্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেয়। ইউসুফ (আ.) নিজেকে বাঁচাতে ঘর থেকে বের হতে গেলে জুলাইখা পেছন দিক থেকে তাঁর জামা টেনে ধরে ছিঁড়ে ফেলে। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রকাশ পেলে জুলাইখার পরিবারেরই এক সদস্য একটি বিচক্ষণ মীমাংসা দেয়। সে বলে, ইউসুফের পরিহিত জামা যদি সামনের দিক থেকে ছেঁড়া থাকে, তবে জুলাইখা সত্যবাদী এবং ইউসুফ মিথ্যাবাদী। আর যদি জামাটি পেছন দিক থেকে ছেঁড়া পাওয়া যায়, তবে প্রমাণিত হবে যে জুলাইখা মিথ্যা বলেছে এবং ইউসুফ সত্যবাদী। (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ২৬–২৭)। তদন্তে দেখা যায় জামার পেছনের অংশটিই ছেঁড়া ছিল, যা ইউসুফ (আ.)-এর নির্দোষিতা প্রমাণ করে। তাফসির বিশারদদের মতে, এই যুক্তি তুলে ধরা ব্যক্তিটি ছিল পরিবারের এক দুগ্ধপোষ্য শিশু। (ইবনে জারির তাবারি, তাফসির আত–তাবারি, ১৬/৫৩-৫৬, মাকতাবাতু ইবনি তাইমিয়াহ, কায়রো)।

তৃতীয় শিশুটির মাধ্যমে সত্য প্রকাশিত হয়েছিল বনি ইসরাইলের প্রখ্যাত ইবাদতগুজার ব্যক্তি জুরাইজের ঘটনায়। এক নারী তাঁকে অনৈতিক কাজে প্রলুব্ধ করতে না পেরে এক রাখালের সঙ্গে অপকর্মে লিপ্ত হয় এবং একটি সন্তান জন্ম দেয়। পরে সে অপবাদ রটায় যে জুরাইজই এই শিশুর পিতা। ক্ষুব্ধ জনতা জুরাইজের ইবাদতখানা ভেঙে দিলে তিনি অজু ও নামাজ শেষ করে নবজাতকের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করেন, ‘তোমার বাবা কে?’ আল্লাহর কুদরতে শিশুটি তখন স্পষ্ট বাক্যে উত্তর দেয়, ‘রাখাল।’ এভাবে এক অবোধ শিশুর সাক্ষ্যে জুরাইজের ওপর থেকে কলঙ্কের বোঝা নেমে যায় এবং তাঁর মর্যাদা রক্ষা পায়। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৪৩৬)।

চতুর্থ ঘটনাটি ঘটেছিল ফেরাউনের প্রাসাদে। ফেরাউন-কন্যার এক বিশ্বস্ত কেশবিন্যাসকারী পরিচারিকা একদিন কাজ করার সময় চিরুনি পড়ে গেলে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে তা তুলে নেন। এতে ফেরাউন-কন্যা জানতে চায় সে তার পিতার নাম নিচ্ছে কি না। ওই সেবিকা নির্ভয়ে ঘোষণা করেন, আল্লাহই তাঁর ও ফেরাউনের একমাত্র প্রতিপালক। সংবাদটি পেয়ে ক্ষিপ্ত ফেরাউন তাঁকে ইমান ত্যাগের নির্দেশ দেয় এবং ব্যর্থ হয়ে সেবিকা ও তাঁর সন্তানদের উত্তপ্ত তামার পাত্রে নিক্ষেপের আদেশ দেয়। একে একে বড় সন্তানদের আগুনে নিক্ষেপের পর যখন কোলের দুধের শিশুর পালা আসে, তখন মায়ের মনে স্বভাবসুলভ দ্বিধা সৃষ্টি হয়। সেই মুহূর্তে আল্লাহর হুকুমে শিশুটি মাকে অভয় দিয়ে বলে ওঠে, ‘মা, ধৈর্য ধরো। নিশ্চয়ই তুমি সত্যের ওপর আছ।’ এই অলৌকিক বার্তায় মা অবিচল থাকেন এবং সত্যের তরে প্রাণ উৎসর্গ করেন। (আল-হাকেম, আল-মুসতাদরাক আলাস-সহিহাইন, হাদিস: ৩৮৮১)।

দোলনায় কথা বলা এই শিশুদের অলৌকিক ঘটনা প্রমাণ করে যে, আল্লাহর কুদরত মানবীয় ধারণার অনেক ঊর্ধ্বে। তিনি সত্যের বিজয় ও নির্দোষকে কলঙ্কমুক্ত করতে যেকোনো মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন। তাই বিপদে ধৈর্য ধারণ ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা প্রতিটি মুমিনের অপরিহার্য কর্তব্য। —নাহিদা সুলতানা: আলেমা ও প্রাবন্ধিক (nahidasultana753375@gmail.com)

advertisement
advertisement

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।