খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সপ্তাহে কর্মদিবস নেমে আসতে পারে তিন দিনে: জেফ বেজোস

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৪:২১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সপ্তাহে কর্মদিবস নেমে আসতে পারে তিন দিনে: জেফ বেজোস

জেফ বেজোস

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অভাবনীয় বিকাশের ফলে ভবিষ্যতে কর্মজীবীদের শুক্রবার কাজ করার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই এবং ওপেনএআই প্রধান স্যাম অল্টম্যানের মতো প্রযুক্তি ব্যক্তিত্বরা যখন এআইয়ের নানা ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করছেন, তখন বেজোস উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ইতিবাচক দিকটি তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, এআইয়ের কারণে কর্মদক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা এতটাই বাড়বে যে খুব অল্প সময় কাজ করেই মানুষ জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে এবং সেই দিনটিও খুব বেশি দূরে নয়।

গত সপ্তাহে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেজোস উল্লেখ করেন, অনেকে হয়তো সপ্তাহে মাত্র তিন দিন কাজের মাধ্যমেই সংসার চালানোর সিদ্ধান্ত নেবেন, যা মূলত বাড়তি অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতারই প্রতিফলন। তিনি আরও জানান, এই প্রযুক্তির কল্যাণে সম্পদ ও সামগ্রীর প্রাচুর্য দেখা দিলে শ্রমিক সংকট তৈরি হতে পারে। পরিবারগুলোতে হয়তো দুজনের উপার্জনের বাধ্যবাধকতা থাকবে না; চাইলে একজন কাজ করতে পারেন বা অন্যজন চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন। একই সঙ্গে মানুষকে আর দুটি চাকরি করতে হবে না, যার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কর্মী পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

এআই খাতে বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হলেও এতে অর্থনৈতিক পরিকাঠামো বদলানোর কারণে বিনিয়োগকারীদের জন্য অনিশ্চয়তা দেখছেন বেজোস। খাতটিতে বুদ্বুদ তৈরি হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, এই প্রযুক্তির উপযোগিতা ও বাস্তবতা নিশ্চিত হলেও মুনাফার আশায় এমন বহু উদ্যোগে অর্থ ঢালা হচ্ছে যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে পারে। তাঁর ভাষায়, সমাজ ও মানুষের জন্য এআই ভালো হলেও বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি জটিল; কারণ ভালো ও মন্দ সব ধরনের প্রকল্পেই পুঁজি বিনিয়োগ হওয়ায় সঠিক ধারণাটি বেছে নেওয়া তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৯৯৫ সালে নিজের গ্যারেজ থেকে আমাজন প্রতিষ্ঠা করা বেজোসের এই প্রতিষ্ঠানটিও এআই খাতে বিপুল অর্থায়ন করছে। চলতি বছরে তাদের মূলধনী ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ২০০ বিলিয়ন বা ২০ হাজার কোটি ডলারের বেশি, যার বড় অংশই যাবে ডেটা সেন্টারের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট খাতে। তবে গত বছরের শেষ দিক থেকে আমাজন করপোরেট পর্যায়ের প্রায় ৩০ হাজার পদ বিলুপ্ত করেছে, যা এআই ঘিরে উৎপাদনশীলতার পাশাপাশি কর্মী ছাঁটাইয়ের সংকটকে সামনে এনেছে। অন্যদিকে, মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপন এবং চাঁদসহ মহাশূন্যে কার্যক্রম বাড়ানোর পরিকল্পনা করা বেজোসের প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনও এআই প্রসারের সুফল পেতে পারে। সম্প্রতি ১ হাজার কোটি (১০ বিলিয়ন) ডলার তহবিল সংগ্রহের পর ব্লু অরিজিনের বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার কোটি (১৪০ বিলিয়ন) ডলারে, যার ফলে বেজোসের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ পৌঁছেছে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি (৩৬৫ বিলিয়ন) ডলারে।

ভবিষ্যতে কর্মসপ্তাহ কতটা ছোট হবে, তা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বের শীর্ষ ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মতামত। এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং মনে করেন এআইয়ের কল্যাণে সপ্তাহে চার দিন কাজের প্রচলন হতে পারে। জেপি মরগ্যান চেজের প্রধান নির্বাহী জেমি ডিমনের পূর্বাভাস অনুযায়ী ভবিষ্যতে কর্মসপ্তাহ হতে পারে সাড়ে তিন দিনের এবং মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের হিসাবে তা নেমে আসতে পারে দুই দিনে। তবে সবচেয়ে নাটকীয় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। তাঁর মতে, এআই ও রোবট প্রযুক্তির উৎকর্ষে সবার জন্য উচ্চ আয়ের সুযোগ তৈরি হবে এবং মানুষ কাজের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তি পাবে। গত বছরের শেষভাগে মাস্ক জানান, আগামী ২০ বছরেরও কম সময়ে, এমনকি ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই হয়তো মানুষকে জীবিকার তাগিদে বাধ্যতামূলকভাবে কাজ করতে হবে না।

advertisement
advertisement

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।