খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সৌদি শ্রমবাজারে সংকট ও প্রবাসীদের বিপদ: সুরক্ষায় রাষ্ট্রের প্রস্তুতি নিয়ে জোরালো প্রশ্ন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদি শ্রমবাজারে সংকট ও প্রবাসীদের বিপদ: সুরক্ষায় রাষ্ট্রের প্রস্তুতি নিয়ে জোরালো প্রশ্ন

সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রবাসী কর্মীরা এসেছেন ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। কিন্তু ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত হওয়ায় যেতে পারছেন না তাঁরা

সৌদি আরবের শ্রমবাজারে মন্দা, নিরাপত্তাজনিত হুমকি কিংবা বিমানবন্দরগুলোতে উদ্ভূত অচলাবস্থা, ফ্লাইট বাতিল ও ভিসা জটিলতায় আটকে পড়া বাংলাদেশি কর্মীদের দুরবস্থা এক গভীর প্রশ্ন সামনে এনেছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ সচল রাখা এই মেহনতি মানুষদের চরম সংকটের মুহূর্তে রাষ্ট্রের সুরক্ষামূলক প্রস্তুতি ঠিক কতটা দৃশ্যমান, তা এখন ভাবার বিষয়। প্রবাসীদের পাঠানো আয়ের হিসাবে রাষ্ট্রীয় আগ্রহ যতটা প্রবল, তাঁদের জীবন, জীবিকা ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তায় সেই মাত্রার দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন দেখা যায় না। এটি শুধু প্রশাসনিক গাফিলতি নয়, বরং নীতিগত অগ্রাধিকার, জাতীয় দূরদর্শিতা ও নাগরিক মর্যাদার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। প্রবাসীদের ‘অর্থনীতির যোদ্ধা’ ও তাঁদের উপার্জনকে উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করার পরও বিপর্যয়ে তাঁদের রক্ষায় জোরালো পরিকল্পনা না থাকা সার্বিক উন্নয়ন দর্শনের বড় এক দুর্বলতা।

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ শ্রমবাজার সৌদি আরবে নির্মাণ, পরিবহন, পরিচ্ছন্নতা ও গৃহস্থালির মতো নানা খাতে বহু কর্মী নিয়োজিত। সেখানে কাজের সুযোগ সংকুচিত হলে বা স্থানীয় নিয়োগবিধি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে কর্মী পরিবারগুলোর পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও চাপে পড়ে। অতিসম্প্রতি রাজধানী রিয়াদের দক্ষিণাঞ্চলে সৌদি আরামকোর স্থাপনাগুলো হুতিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ায় ধোঁয়া ওঠার ঘটনা আঞ্চলিক ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। তবুও সীমিত দক্ষতা এবং হাতে গোনা কয়েকটি বাজারের ওপর অতিনির্ভরতার কারণে অভিবাসন খাতটি বরাবরই চরম ঝুঁকির মুখে থেকে যাচ্ছে। কয়েক মাসের জন্য সৌদি আরবে কর্মী নেওয়া কমলে ঠিক কতজন ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, কত পরিবার ঋণের দায় শোধে ব্যর্থ হবে কিংবা দীর্ঘমেয়াদে তাঁদের বিকল্প আয়ের উপায় কী—এমন আগাম হিসাব ও পরিকল্পনার ঘাটতি থাকলে কেবল হঠাৎ আসা দুর্যোগ বলে দায় এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।

নিরাপত্তা সংকট বা সংঘাতের জেরে বিমান যোগাযোগ ব্যাহত হলে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত, ছুটিতে থাকা ও সৌদি আরবে আটকে থাকা কর্মীরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হন। টিকিট নষ্ট হওয়া, চাকরিতে যোগদানের সময়সীমা পেরোনো, ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া ও বাড়তি খরচের মতো সমস্যা তাঁদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কর্মীরা দালালের ফাঁদে না পড়েন। আটকে পড়া কর্মী, দেশে আটকে থাকা শ্রমিক ও নতুন যাত্রীদের বিস্তারিত অবস্থান, ভিসা, চুক্তি, বকেয়া ও ঋণের তথ্য নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডেটাবেইস তৈরি করা জরুরি। দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং বিমান সংস্থাগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সমস্যার বাস্তব সমাধানের সংখ্যা প্রকাশ করা প্রয়োজন।

জরুরি সংকট মোকাবিলায় একটি স্থায়ী সুরক্ষা তহবিল ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন অত্যাবশ্যক, যেখানে মহামারি বা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে তহবিল জোগান ও সংস্থার দায়িত্ব পূর্বনির্ধারিত থাকবে। বহুভাষিক হটলাইন, দ্রুত নিবন্ধন, নিরাপদ আবাসন, খাদ্য, চিকিৎসা এবং আইনি সহযোগিতার পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভিসা বা চাকরির মেয়াদ বাড়ানো এবং বিনা খরচে টিকিট পুনঃনির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া দরকার। বিদেশে যেতে ঋণগ্রস্ত কর্মীদের কিস্তি পরিশোধে ছাড় ও আর্থিক সহায়তায় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা আবশ্যক। একই সঙ্গে দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিটি অভিযোগের জন্য ট্র্যাকিং নম্বর চালু করে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সভা-বিবৃতির সংখ্যার চেয়ে কতজনের চাকরি রক্ষা পেল বা বকেয়া আদায় হলো, সেটাই আসল মাপকাঠি হওয়া উচিত বলে মত প্রকাশ করেছেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজের (সিএমএস) সমন্বয়ক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. সেলিম রেজা।

advertisement
advertisement

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।