খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কানাডার ধনকুবের ওয়েস্টন পরিবারের হাতে যাচ্ছে ব্রিটেনের ১৭৭ বছরের পুরোনো বুটস, জোর দেওয়া হচ্ছে আধুনিকায়নে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কানাডার ধনকুবের ওয়েস্টন পরিবারের হাতে যাচ্ছে ব্রিটেনের ১৭৭ বছরের পুরোনো বুটস, জোর দেওয়া হচ্ছে আধুনিকায়নে

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ১৭৭ বছরের পুরোনো ফার্মেসি ও রিটেইল চেইন ‘বুটস’ কিনে নিচ্ছে কানাডার শীর্ষ ধনী ওয়েস্টন পরিবার। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় থাকা উইটিংটন ইনভেস্টমেন্টস প্রায় ৮৯০ কোটি ডলারের বিনিময়ে বুটসের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি ইকুইটি প্রতিষ্ঠান সাইকামোর পার্টনার্স এবং পেসিনা পরিবারের হাত থেকে কোম্পানিটি অধিগ্রহণের এ চুক্তি ২০২৭ সালের প্রথমার্ধ নাগাদ চূড়ান্ত হতে পারে। নতুন স্বত্বাধিকারী আসার পর বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর রূপান্তর, চিকিৎসাসেবার পরিধি বৃদ্ধি ও গ্রাহকসেবা আধুনিক করতে নতুন তহবিল জোগান দেওয়া হবে। তবে তীব্র বাজার প্রতিযোগিতা এবং ই-কমার্সের দ্রুত বিকাশ ব্র্যান্ডটির সামনে বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৮৪৯ সালে নটিংহামের একটি ভেষজ ওষুধের দোকান হিসেবে বুটসের পথচলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে যুক্তরাজ্যজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১ হাজার ৮০০টি বিক্রয়কেন্দ্র এবং ৫১ হাজার কর্মী নিয়োজিত আছেন। প্রেসক্রিপশনের ওষুধ ও ভ্যাকসিনের পাশাপাশি রূপচর্চাসামগ্রী, প্রসাধন এবং ভ্রমণের প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির জন্য এটি ব্রিটিশদের কাছে এক বিশ্বস্ত নাম। নতুন মালিক গ্যালেন ওয়েস্টন জানিয়েছেন, তারা ফার্মেসি ও চিকিৎসাসেবার বিস্তার এবং বিক্রয়কেন্দ্র আধুনিকায়নে জোর দেবেন। স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা ক্রেতাদের সৌন্দর্যপণ্য ক্রয়ের প্রবণতা থাকায় এ দুটি ক্ষেত্র একসঙ্গে সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। কানাডায় মুদি চেইন লব্লজ ও ফার্মেসি ব্যবসা শপার্স ড্রাগ মার্ট ছাড়াও যুক্তরাজ্যে ওয়েস্টন পরিবারের আরও কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বুটসের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে গ্লোবালডেটা রিটেইলের সহযোগী পরিচালক সোফি উইলমট উল্লেখ করেন, বড় বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর সৌন্দর্যপণ্য বিভাগ নতুন করে সাজানোয় ক্রেতারা বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের মতো আবহ পাচ্ছেন। ২০২৩ সালে লন্ডনের ব্যাটারসি পাওয়ার স্টেশনে রূপচর্চাবিষয়ক প্রথম একক দোকান চালুর পর ইতিমধ্যে ১৮০টির বেশি আউটলেটে এই বিভাগের রূপান্তর ঘটানো হয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, ছোট দোকানগুলোতেও সমমানের পরিবেশ এবং সহজে সেবা পাওয়ার উপযোগী অবকাঠামো গড়ে তুলতে আরও পুঁজি বিনিয়োগ দরকার। অন্যদিকে ১৯৯৭ সালে প্রবর্তিত বুটসের ‘অ্যাডভান্টেজ কার্ড’ কর্মসূচিতে প্রতি পাউন্ড ব্যয়ের বিপরীতে তিন পেনি মূল্যের তিন পয়েন্ট পাওয়া যায়। এনবিকে রিটেইলের প্রতিষ্ঠাতা নাটালি বার্গের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবের এই যুগে গ্রাহকদের অভ্যাসের তথ্য জানতে এবং সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করতে এই কার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চিকিৎসাসেবায় প্রেসক্রিপশন ও টিকার পাশাপাশি চোখ-কান পরীক্ষা এবং সম্প্রতি সম্প্রসারিত ওজন কমানোর সুবিধাও দিচ্ছে বুটস। তবে সুপারড্রাগের মতো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী এবং তরুণ প্রজন্মের অনলাইন কেনাকাটার ঝোঁক প্রতিষ্ঠানটিকে চাপে রেখেছে। ২০২৫ সালে বুটসের বিক্রির পরিমাণ ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৭৫০ কোটি পাউন্ডে পৌঁছালেও ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার কারণে আয়ের ওপর সার্বিক চাপ বজায় রয়েছে। এছাড়া বাসাবাড়ি থেকে কাজের সুযোগ বাড়ায় শহরের প্রাণকেন্দ্রগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে গেছে, যার জেরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শত শত দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিনের গ্রাহক আস্থা বজায় রেখে আধুনিকায়ন ও স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয়ে তরুণ ক্রেতাদের আকর্ষণ করাই এখন বুটসের ভবিষ্যৎ সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

advertisement
advertisement

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় এবার মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় মরুভূমির প্রাণী দুম্বা পালনের অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গবাদিপশুর পাশাপাশি ভিন্নধর্মী এই প্রাণীটি লালন-পালন করে সফলতার মুখ দেখার চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা। মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খাদ্যাভ্যাস মিলে যাওয়ায় এই দেশীয় খামারগুলোতে দুম্বা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে বেড়ে উঠছে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দুম্বা পালনের জন্য খুব বড় পরিসরে কোনো অবকাঠামোর প্রয়োজন হয় না এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ ভালো। সাধারণ ছাগল বা ভেড়ার মতো করেই এদের পরিচর্যা করা সম্ভব, যা খামারিদের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। এর প্রধান খাদ্য হিসেবে ঘাস, খড় ও দানাদার খাবারের পাশাপাশি দেশীয় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনছে।

বর্তমানে বাজারে দুম্বার মাংসের প্রচুর চাহিদা থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোরবানি ঈদ কিংবা বড় কোনো সামাজিক আয়োজনে এসব দুম্বার চড়া দাম পাওয়া যায়, যা খামারিদের মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জনে সাহায্য করছে। সাধারণ গরুর খামারের তুলনায় কম খরচে ও স্বল্প সময়ে দুম্বা বিক্রি করে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব হওয়ায় নতুন অনেকেই এই ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকেও দুম্বা পালনকারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে চুয়াডাঙ্গার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই লাভজনক দুম্বা পালন ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন খামারি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইউরোপের সাতটি দেশের অসংখ্য সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সাইবার আক্রমণের ফলে দোকানগুলোর বহু রেফ্রিজারেটর এবং ডিপ ফ্রিজ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এর ফলে বিপণি বিতানগুলোতে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক সুপারমার্কেট চেইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আক্রান্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড এবং লুক্সেমবার্গ। বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গে ডেলহেইজের প্রায় চল্লিশটি শাখা এই হামলার শিকার হয়েছে। এছাড়া ফরাসি মালিকানাধীন সুপারমার্কেট ক্যারেফোরের বেলজিয়াম শাখা এবং কোলরুইট গ্রুপের পরিচালনাধীন স্পার স্টোরের বেশ কয়েকটি দোকানেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সুইডেনের আইকিয়া, আইসিএ এবং কুপের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানও এই হামলার কবলে পড়েছে।

ফ্রিজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান মোয়েলানস বেলগা সংবাদ সংস্থাকে জানান যে হ্যাকাররা সুনির্দিষ্ট কৌশলে ফ্রিজগুলোর ইভাপোরেটর ডিফ্রস্ট মোডে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে যন্ত্রগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। এর আগে কিছুদিন আগে ফ্রান্সেও একই কায়দায় সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল। ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার সুবাদে দূর থেকেই এই ত্রুটি ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে কারিগরি দলগুলো রাতভর পরিশ্রম করেছে।

এই সাইবার হামলার পেছনে কারা জড়িত রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বেলজিয়াম, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে পুরো বিষয়টি গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটির হিমায়ন ব্যবস্থায় সম্প্রতি ঘটিত কোনো ত্রুটির সঙ্গে ইউরোপের এই ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তাতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের একটি শাখা কর্তৃপক্ষ প্রায় এক লাখ ইউরো মূল্যের পণ্য নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।